বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম বিমানটি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন। কন্ট্রোলরুমের সাথে তার যোগাযোগ সেগুলো প্রমাণ করে। তবে শেষ মুহুর্তে তিনি ইজেক্ট করে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন কিন্তু বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টায় সময় নষ্ট করায় বিমান থেকে বের হওয়ার জন্য যে পদ্ধতি তা প্রয়োগ করতে পারেননি। যার ফলে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন ।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটিতে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলামের শেষ শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবাহিনী প্রধান জানান, বিমানটি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল পাইলট তখন সর্বোপরি চেষ্টা করেছে বিমানকে খালি জায়গায় নামানোর। বিশেষ করে একটি মাঠ পেয়েছিল পাইলট, সেখানে নামানোর চেষ্টা করে কিন্তু তার শেষ চেষ্টা সফল হয়নি, যার কারণে বিমানটি আছড়ে পড়ে ভবনটির ওপরে। পাইলট বিমানটি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মূল্যবান সময় দিয়েছেন। বিমান থেকে বের হওয়ার জন্য যে পদ্ধতি তা বিলম্বিত হয়ে যায়, তার ফলে নিজের জীবন উৎসর্গ করে পাইলট।
এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, দয়া করে দেশের এ বিপদের সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন গুজব ও মিস ইনফরমেশনে কান দেবেন না। একটি শক্তিশালী বিমানবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য অপরিহার্য। গুজব ছড়িয়ে দেশের সার্বভৌমত্বের স্তম্ভ দুর্বল করে দেবেন না।

+ There are no comments
Add yours