চার মাস বন্ধ থাকার পর আবারও ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভারত থেকে ৩১৫ মেট্রিক টন চালবোঝাই ৯টি ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।
বেনাপোল বন্দরের ডেপুটি ডিরেক্টর মামুন কবীর তরফদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সর্বশেষ এ বছর ১৫ এপ্রিল বেনাপোল দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স-এর স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, এবার তারা ভারত থেকে মোটা চাল আমদানি করেছেন। চাল ছাড় করাতে বেনাপোল কাস্টমসে বিল অব এন্ট্রি জমা দেওয়া হয়েছে। পেট্রাপোল বন্দরে আরও চালবোঝাই ট্রাক বাংলাদেশের বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।
তিনি আরও জানান, দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। ২৩ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হয়। অনুমতিপত্র (আইপি) পাওয়ার পর অনেক আমদানিকারক এলসি খুলেছেন। বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া চাল আমদানি ধীরে ধীরে আরও বাড়বে। আশা করা হচ্ছে, আগামী রোববার থেকে বেনাপোল দিয়ে চাল আমদানির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে।
চাল আমদানির ফলে বাজারে চালের দাম ৫ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত কমে আসতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। ভালো মানের চিকন চাল ৬৭ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে, আর মোটা স্বর্ণা চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকায় বিক্রি হতে পারে।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন জানান, চার মাস পর আবার চাল আমদানি শুরু হওয়ায় বন্দর এলাকায় কিছুটা কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। শুরুতেই ৯টি ট্রাকে ৩১৫ মেট্রিক টন চাল এসেছে। আরও অনেক ট্রাক আসার অপেক্ষায় রয়েছে।
বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ বলেন, “আমদানিকৃত চালের নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দ্রুত ছাড়করণের জন্য সনদ দেওয়া হয়েছে।”

+ There are no comments
Add yours