এখনো ভোটার হননি তারেক রহমান, দেশে ফিরে করবেন আবেদন

প্রায় দেড় যুগ দেশের বাইরে থাকার পর অবশেষে চলমান ভোটার তালিকা হালনাগাদে ভোটার হয়েছেন ডা. জুবাইদা রহমান। তবে এখনো ভোটার হননি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। সেসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ছিলেন লন্ডনে। ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ছাড়েন এই দম্পতি। ফলে ওই সময় ভোটার হতে পারেননি তারা।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার করতে এরই মধ্যে কয়েকটি দেশে কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যুক্তরাজ্যের লন্ডন, বার্মিংহাম ও ম্যানচেস্টারেও ভোটার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে তারেক রহমান সেখানে ভোটার হাওয়ার জন্য এখনো আবেদন করেননি বলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের নিবন্ধন ও প্রবাসী শাখা থেকে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, লন্ডনে প্রবাসীদের নতুন ভোটার হতে গেলে আবেদনকারীকে অবশ্যই লন্ডনের নির্বাচন অফিসে আসতে হবে। কারণ আবেদনকারীর স্বাক্ষর, ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ বাধ্যতামূলক। লন্ডনে তারেক রহমান এখনো আবেদন করেননি বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, ইতালি, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি প্রদানের কার্যক্রম চলমান। ইসির মিশন অফিসে যে কোনো সময় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ভোটার হতে পারবেন প্রবাসীরা। এসব দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৮ হাজার ৩২ জন প্রবাসী ভোটার হতে আবেদন করেন। এর মধ্যে মিশন অফিস ২৯ হাজার ৬৪৬ জনের বায়োমেট্রিক গ্রহণ করেছে। ১৭ হাজার ৩৬৭ জনকে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে। আবেদন বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৭৫৬ জনের। ৪ হাজার প্রবাসীর ভোটার হওয়ার আবেদন যাচাই-বাছাই করছে ইসি। তবে এসব তালিকায় নাম নেই তারেক রহমানের।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের নিবন্ধন ও প্রবাসী শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘তারেক রহমান চাইলে লন্ডনে বসেই ভোটার হতে পারবেন। যুক্তরাজ্যের লন্ডন, বার্মিংহাম ও ম্যানচেস্টারে ভোটার কার্যক্রম চালু আছে। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তারেক রহমান লন্ডনে ভোটার হবেন না। তিনি বাংলাদেশে এসেই ভোটার হবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন।’

You May Also Like

More From Author

+ There are no comments

Add yours